মঙ্গলবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

যুব ওয়ানডেতে উইকেটের চূড়ায় মিরাজ

যুব ওয়ানডে ইতিহাসে সব সময়ের সেরা উইকেট শিকারি হয়ে গেলেন মেহেদি হাসান মিরাজ। বাংলাদেশ অধিনায়ক ছাড়িয়ে গেলেন পাকিস্তানের ইমাদ ওয়াসিমকে। ৭২ উইকেট নিয়ে মঙ্গলবার কক্সবাজারে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ম্যাচে নামিবিয়ার বিপক্ষে মাঠে নেমেছিলেন মিরাজ। নিজের তৃতীয় ওভারেই মাইকেল ফন লিনজেনকে এলবিডব্লিউ করে নাম লেখান ইমাদের পাশে।
রেকর্ডটি নিজের করে নিতে অবশ্য আরও বেশ খানিকটা সময় অপেক্ষা করতে হয় বাংলাদেশ অধিনায়ককে। শেষ পর্যন্ত নামিবিয়ার শেষ উইকেটটি নিয়ে এই অফ স্পিনার রেকর্ডটি শুধুই নিজের করে নেন। যুব ওয়ানডে ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি রান ও সবচেয়ে বেশি উইকেট - দুটি রেকর্ডই এখন বাংলাদেশের। আগের ম্যাচেই স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে শতকের পথে যুব ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি রানের রেকর্ড গড়েছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ইমাদ ৭৩ উইকেট পেয়েছিলেন ৪৯ ম্যাচে। মিরাজ তাকে ছাড়িয়ে গেলেন ৫৩ ম্যাচে। ৬৮ উইকেট নিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করেছিলেন মিরাজ। প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৩ উইকেট নিয়ে স্পর্শ করেন দুইয়ে থাকা পিযুষ চাওলাকে। পরের ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ১ উইকেট নিয়ে মিরাজ এককভাবে উঠে আসেন দুইয়ে। তৃতীয় ম্যাচে উঠে এলেন শীর্ষে। ভারতের লেগ স্পিনার চাওলা ৭১ উইকেট নিয়ে তিন নম্বরে মাত্র ৩৭ ম্যাচ খেলেই। উইকেট শিকারের তালিকায় চার নম্বরে বাংলাদেশেরই একজন; তিনিও মিরাজের মতো অফ স্পিনিং অলরাউন্ডার এবং দীর্ঘদিন ছিলেন যুব দলের অধিনায়ক। যুব ওয়ানডেতে ৬৬ উইকেট মাহমুদুল হাসানের। যুব ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি ৫৭ ম্যাচ খেলার রেকর্ডও মাহমুদুলেরই। সেরা দশে বাংলাদেশের আছেন আরও দুজন। ৪০ ম্যাচে ৫৫ উইকেট নিয়ে আটে আছেন বাঁহাতি স্পিনার ও আরেক সাবেক যুব অধিনায়ক সোহরাওয়ার্দী শুভ। নামিবিয়ার বিপক্ষে ম্যাচেই দুটি উইকেট নিয়ে পূর্বসূরিকে ছুঁয়েছেন সালেহ আহমেদ শাওন গাজী। ৩১ ম্যাচ খেলেই সোহরাওয়ার্দীকে স্পর্শ করলেন এই বাঁহাতি স্পিনার।

শুক্রবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৫

নারীরাও কিনছেন যৌনতা!

যৌনতার জন্য শুধু ছেলেরাই অর্থ-কড়ি খরচ করে এমন ধারণা এখন অতীত। এ ক্ষেত্রে পশ্চিমা বিশ্বের মেয়েরা পিছিয়ে নেই। সেখানে মেয়েরাও পুরুষ যৌনকর্মী ভাড়া করে জীবন উপভোগ করছেন। উইমেন হু পে ফর সেক্স শিরোনামে বিবিসি ম্যাগাজিনে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এমনটাই বলা হয়েছে। সাংবাদিক হান্নাহ বারনেসের ওই ফিচারধর্মী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যে এমন অনেক নারী আছেন যাঁরা বার কিংবা নাইট ক্লাবে গিয়ে পুরুষ সঙ্গী খোঁজা পছন্দ করেন না। যৌনতা উপভোগের জন্য তাঁরা এসকর্ট এজেন্সির (যৌনকর্মী ও খদ্দেরদের মধ্যস্থকারী প্রতিষ্ঠান) সাহায্য নেন। এসব এজেন্সির কাছে এসকর্ট চাইলেই তাঁরা নারী গ্রাহকদের কাছে এসকর্ট পাঠিয়ে দেয়। ইংল্যান্ডের ওয়েস্ট মিডল্যান্ডের একটি বিলাসবহুল এসকর্ট এজেন্সির মালিক নিকোল। এখানে ছেলেদের মতো মেয়েরাও তাঁর ভোক্তা। তাঁদের জন্য তিনি বিলাসবহুল এবং বড় আকারের বাংলো বাড়ির ব্যবস্থা করেন। যেটি শহর থেকে প্রায় মাইল খানেক দূরে। ফরাসী বাংলোর মতো দেখতে এসব বাড়ির ভেতরে কী চলছে সেটা বাইরে থেকে কোন ভাবেই বোঝার উপায় নেই। নিকোল বলেন, নারী ক্লায়েন্টরা নিজেদের পরিচয় গোপন রাখতে চান। এটা তাদের নিজস্ব পৃথিবী, এই গোপনীয়তা তাদের জীবনেরই অংশ। ছেলে যৌনকর্মীরা জানেন তাঁদের সব নারী ভোক্তা অবিবাহিত বা একাকী নন। এমনই একজন বলেন, কিছু নারী মনে করেন যৌনতার জন্য অর্থ ব্যয় কোনো প্রতারণা নয়। এটি প্রেম বা এরকম অন্যান্য সম্পর্কের মতোই স্বাভাবিক ব্যাপার। যে সব নারীর ছেলেবন্ধু বা স্বামী আছে তাঁদের জন্য বারে কিংবা অন্য কোনো প্রকাশ্য জায়গায় অন্য কোনো পুরুষের সঙ্গ খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। নিকোল জানান, তাঁদের জন্য এমন জায়গা দরকার যেখানে প্রতিবেশী বা পরিচিত কেউ তাঁদের দেখে ফেলবে না। জন্মগত প্রতিবন্ধীতার কারনে ক্যাটরিনার কাছে যৌনতা সব সময়ই একটি বিষাদময় ব্যাপার। তিনি বলেন, তিনি কখনো ভাবেননি যে তিনি একজন পুরুষ যৌনকর্মী খুঁজবেন। কিন্ত এখন ক্যাটরিনা ইংল্যান্ডের অন্য অনেক নারীর মতোই একজন যারা অর্থের বিনিময়ে যৌনতা কেনেন। ক্যাটরিনা বলেন, তাঁর সাবেক প্রেমিকেরা যৌনতা উপভোগ করতে না পারার জন্য যখন তাঁর শারিরীক প্রতিবন্ধীতাকে দায়ী করে একে একে তাঁকে ছেড়ে যান তখন তাঁর আত্মবিশ্বাস চুরমার হয়ে যায়। ক্যাটরিনা বলেন, যৌনকর্মী অ্যান্ড্রুর কারণে আমার এই ভুল ভাঙে। প্রথম বারের পরই আমি দেখলাম যৌনতায় আমি সম্পূর্ণ সক্ষম। আনন্দময় যৌন অভিজ্ঞতা হলো আমার। সেই সঙ্গে আমার আত্মবিশ্বাসও ফিরে আসল। শুধু যে ক্যাটরিনার মতো শারিরীক প্রতিবন্ধী নারীরা এই সেবা নিচ্ছেন তা নয়। অন্যান্য স্বাভাবিক নারীও এই যৌন সেবা নিয়ে থাকেন। ক্যাটরিনাকে যে যৌনসেবা দিয়েছেন, সেই অ্যান্ড্রু রসেট্টা, তার দশ বছরের যৌনসেবী ক্যারিয়ারের অভিজ্ঞতা নিয়ে হোয়াটেভার শি ওয়ান্টস শিরোনামে একটি বই লিখেছেন। পুরুষ যৌনকর্মীরা জানান, নারীরা নানা কারনেই যৌনতার জন্য অর্থ ব্যয় করতে চান। যৌনতায় আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়া, নতুন পরীক্ষ-নিরীক্ষা করা ইত্যাদি। এছাড়াও ব্যাবসায়ী নারীরা সময়ের অভাবে তাদের স্বামী বা ছেলেবন্ধুর সঙ্গে মিলিত হতে পারেন না। ফলে তারাও এ সেবাটি গ্রহন করেন। ডেনিয়েল অর্থনৈতিক মন্দার সময়টিতে কিছু বাড়তি টাকার জন্য খণ্ডকালীন পুরুষ-যৌনকর্মী হিসেবে কাজ করেন। তিনি লন্ডনের নামকরা একটি বেসরকারী স্কুলের ছাত্র। আবার অ্যান্ড্রুর মতো কর্মীরা উচ্চ রুচিবোধ সম্পন্ন। কিন্ত এরকম যৌনকর্মী পেতে মেয়েদের কী রকম খরচ করতে হয়? গড়পরতায় ঘন্টায় সর্বনিম্ন ১০০ পাউন্ড। নিকোল জানান, ইংল্যান্ডে বেকারত্ব সমস্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় এখন ঘন্টা প্রতি ৬০ পাউন্ডে পুরুষ যৌনকর্মী ভাড়া পাওয়া যায়

महिला कामोत्तेजना के लक्षण क्या हैं?

एक लंबे समय के लिए शादी कर दिया गया। लेकिन समस्या यह है कि मैं अपने यौन उत्तेजना का एहसास नहीं है कि है। वह चुप संभोग का समय है। यह संभोग की खुशी है कि क्या पता करने के लिए कोई रास्ता नहीं है। वह खुद मेरे लिए नहीं आया था जब से, मैं अनिच्छा के साथ आता है की तरह यह नहीं कह सकता। मैं कैसे पत्नी यौन उत्साहित है क्या जानते हो? उन्होंने कहा कि संभोग में या समझने के लिए कैसे रुचि है? महिलाओं की कामोत्तेजना का काफी कुछ संकेत मिल रहे हैं। यह उत्साहित हो जाता है जब एक महिला की योनि फिसलन में यौन रुचि, यह हर किसी के लिए काफी है। लेकिन क्या आप समझते हैं कि कुछ जावक संकेत मिल रहे हैं परे है कि संभोग के परिणामों पर अपने पति या प्रेमी है।उदाहरण के लिए, संभोग करने में रुचि रखते हैं, जो # महिलाओं क्रिमसन होठों बन गया। हमेशा की तरह लाल होंठ की तुलना में बहुत अधिक है। # महिलाओं में तनाव के गाल की लाली का कारण बनता। Anekra थोड़ा पसीना, सांस लेने में भारी हो जाता है। # शरीर बहुत ही संवेदनशील हो जाता है जब यौन उत्साहित। वह अपने छोटे से स्पर्श के साथ रोमांचित हो जाएगा। # वह संभोग करने में दिलचस्पी थी, तो कोई बात नहीं कितनी शर्मीली औरत, कोई बात ही आप के लिए आ जाएगा। हो सकता है कि सीधे नहीं, लेकिन आप धीरे बैठो, स्पर्श, चुंबन, खाते हैं, एक आँख की पलक बात करने के लिए आते हैं।

সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৫

পরকীয়া কেন করে নারী ?

অস্বাভাবিক বিষয় নয়। যে হারে মানুষ পরকীয়ার সম্পর্কে জড়িয়ে যাচ্ছেন এতে করে বিষয়টি দিনকে দিন উন্মুক্ত হয়ে যাচ্ছে সকলের কাছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে মানুষ ঠিক কি কারণে পরকীয়ার সম্পর্কে জড়িয়ে যান?
ফফফ
পরকীয়ার সম্পর্ক আজকাল কোনো
স্ত্রী পরকীয়া করার কারণ

 




যদি মনে করেন পরকীয়ার সম্পর্কে জড়ানোর জন্য শুধু আপনার সঙ্গীই দায়ী তাহলে আপনি ভুল ভাবছেন। মানুষ ঠিক কেন পরকীয়ার সম্পর্কে জড়ান এই সম্পর্কে রুটজার ইউনিভার্সিটির বায়োলজিক্যাল অ্যান্থ্রোপলজিস্ট হেলেন ফিশার, তার বইয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
শুধু একপক্ষের ভুলের কারণে পরকীয়ার সম্পর্কের উৎপত্তি নয়। পরকীয়ার সম্পর্কে জড়ানোর জন্য দুই পক্ষেরই ভুল রয়েছে। বিশেষ করে একজন নারী যখন পরকীয়ার সম্পর্কে জড়ান তখন তার স্বামীর অনেকটা ভূমিকা থাকে। জানতে চান কীভাবে?
১) তিনি আপনার ব্যাপারে অনেক দ্বিধায় ভোগেন
আপনার তার প্রতি অনীহা এবং অতিরিক্ত কাজের ব্যস্ততায় তাকে অবহেলা করার বিষয়টি একজন নারী পুরোপুরি উল্টো ভাবে দেখেন। নারীরা ভাবেন আপনার নিজের অন্য কোথাও সম্পর্ক রয়েছে যার কারণেই এই অবহেলা। আর এই দ্বিধা থেকেই তার জড়িয়ে যান পরকীয়ায়।
২) তার প্রয়োজনে আপনি কখনোই সাপোর্ট দেন না
স্বাভাবিকভাবেই একজন পুরুষ একজন নারীর থেকে একটু কম আবেগী হয়ে থাকেন এবং মানসিক দিক দিয়ে যদি আঘাত প্রাপ্ত হন তাহলে সাপোর্ট খুঁজে থাকেন। আবার, অন্য একটি পরিবারে এসে মানিয়ে নেয়ার সময়েও তারা স্বামীর কাছ থেকেই সাপোর্ট খোঁজেন। এই সময়টাতে যদি স্বামীর কাছ থেকে সাপোর্ট না পান তখন তারা অন্য দিকে আগ্রহী হয়ে পড়েন।
৩) আপনি তার প্রতি নমনীয় নন একেবারেই
নারীরা সবসময়েই চান তার স্বামী তার প্রতি যতোটা সম্ভব নমনীয় হোন যাতে তার নিজের সব কিছু ছেড়ে আসার যন্ত্রণাটা কিছুটা হলেও ভুলে থাকতে পারেন। কিন্তু যখন নিজের স্বামীর কাছ থেকে এইধরনের কিছু না পেয়ে থাকেন তখন অন্য কারো কাছে সামান্য কেয়ার পেলেও তার প্রতি দুর্বল হয়ে পড়েন মনের অজান্তেই। আর এ থেকেই ভুল পথে পা বাড়ান অনেকে।
৪) আপনার কোনো কাজে তিনি অনেক বেশি কষ্ট পেয়েছেন
ব্যাপারটি ঠিক প্রতিশোধ পরায়নতা নয়। অনেক সময়েই স্বামীর কাছ থেকে প্রচণ্ড কষ্ট পেয়ে তার কাছ থেকে একটু সুখ পান তার প্রতি দুর্বল হয়ে পড়েন অনেক নারীই। বিষয়টি পুরুষের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। কষ্ট ভুলে থাকার জন্য মানুষ অনেক অন্যায় পথেও পা বাড়িয়ে থাকেন।
৫) আপনার স্ত্রী একাকী বোধ করেন
আপনি হয়তো নিজের কাজে অনেক বেশি ব্যস্ত এবং স্ত্রীকে তার প্রাপ্য সময়টুকু দিতে আপনার কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু আপনি বুঝতেই পারছেন না আপনার এই ব্যস্ততা তার কাছে অবহেলার অনুভূতি দিচ্ছে, এবং তিনি প্রচণ্ড একাকীত্বে ভুগছেন। আর এই ধরণের সময়ে কারো সঙ্গ পেলে তার প্রতি আগ্রহী হয়ে পড়েন অনেকেই। এভাবেও কিন্তু জন্ম নেয় পরকীয়ার সম্পর্কটি।

শনিবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৫

ধর্ষণে শাস্তি এড়ানো কঠিন হবে



১. ধর্ষণে শাস্তি এড়ানো কঠিন হবে
নারীর সম্মতি ছাড়া যৌনকর্ম করা কঠিন হয়ে যাবে। আইন ও বাড়তি নজরদারির নানা যন্ত্রপাতি বসানোর ফলে ধর্ষণের মতো যৌন নির্যাতনের প্রমাণ ও বিচার করা সহজ হবে।
২. যৌনতা আরও উপভোগ্য হবে
বর্তমানের তুলনায় ভবিষ্যতে যৌনতা আরও উপভোগ্য হবে। এতে প্রধান ভূমিকা রাখবে নানা আধুনিক উপকরণ ও গ্যাজেট। এ ছাড়াও যৌনতা বিষয়ে মানুষের রসায়ন নিয়ে গবেষণায় নানা তথ্য জানা যাবে। আবিষ্কৃতি হবে যৌনতায় আরও তৃপ্তি আনার ওষুধ। ফলে ক্রমে বেশি উপভোগ্য হয়ে উঠবে যৌনতা।
৩. ঝুঁকি বাড়বে
নানা আইনগত সংস্কার ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তার ঝামেলা বাড়ায় যৌনতা অনেকের জন্যেই ঝুঁকি তৈরি করবে। বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞার বেড়াজালে পড়তে হবে এক্ষেত্রে জড়িতদের। তাই পাশাপাশি বাড়বে ঝুঁকিও।
৪. পরিচিতির বাধ্যবাধকতা কমবে
যৌনতার ক্ষেত্রে পরস্পর সম্পর্ক বা পূর্বপরিচয় থাকতে হবে, এ ধারণা কমবে। এ ছাড়াও বাড়বে নানা আইনগত নিরাপত্তা ও নজরদারি।
৫. ঘৃণা বাড়বে
আইনে যাই যোগ হোক না কেন, নানা বিষয়ে নানা মত যেমন বাড়তে তেমন বাড়বে বিদ্বেষও। এর পাশাপাশি বাড়বে পারস্পরিক ঘৃণা ও অবিশ্বাস। ফলে মিথ্যা যৌন অভিযোগের মতো ঘটনাও বাড়ার সুযোগ তৈরি হবে।
৬. প্রযুক্তিগত যৌন হয়রানি বাড়বে
স্মার্টফোনে যৌন উত্তেজক ছবি কিংবা ভিডিও বর্তমানে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ক্রমে ছড়িয়ে পড়ছে। এ প্রবণতা আরও বাড়বে। এক্ষেত্রে যৌন হয়রানির নতুন মাত্রা যোগ হবে এর মাধ্যমে।
Share